অস্ফুট আর্তনাদ
আকালের ভয়ে যে ইদুর শস্য জমায় আমি তারে ঘৃণা করি, প্রেমের আকালে তবে কেন আমাদেরসম্পূর্ণ
আকালের ভয়ে যে ইদুর শস্য জমায় আমি তারে ঘৃণা করি, প্রেমের আকালে তবে কেন আমাদেরসম্পূর্ণ
এভাবে করে তোমার সকল অবস্থান, প্রতিটা মুহূর্তদের প্রত্যক্ষ করেছি যেন,
কত সহজ হিসেবে মনে হয়েছে তোমার পাশের জানালার মতো আমি তোমার নিকটে পৌঁছেছি,
অথচ অন্ধের চোখে পৃথিবীর আলোর সমান দূরত্বে তুমি…সম্পূর্ণ
আর মাঝে মইধ্যে খালি তোমারে একবার দেখবার মন চায়;
অস্বচ্ছ ছবিটারে অভিশাপের ফিল্টার দিয়া আরেকটু অস্বচ্ছ করবার জন্যে।সম্পূর্ণ
কার লাইগা স্বপ্ন দেখতে দেখতে তুমি ক্লান্ত ঘর্মাক্ত শরীরে বিছানা ছাইড়া উঠলা-
অথবা কার শুভ্র নরম আদরে ভুইলা গেলা দিন আর রাইতের তফাৎ।
বিশ্বাস করো; অহন আমি আর এইসব নিয়া ভাবিনা, অহন আমি চুপ হইয়া আকাশ দেহি-সম্পূর্ণ
তুমি ছুঁয়ে দিলেই-
সে ভুলে যেতো তার নামধাম, অতীত-বর্তমান, আত্মপরিচয়।
অথচ তুমি একদিন চলে গেলে-
তারপর থেকে ছেলেটাকে আমরা কবি বলে জানি।সম্পূর্ণ
তোমাকে বৃত্ত ভাবতে ভাবতে আমি যে আবদ্ধ বিন্দু, অভ্যস্ত হতে হতে আমি যে তোমাতে মগ্ন মুখর,
অথচ তুমিতো সেই কবে উড়ে যাওয়া এক ফেরারি পাখি।সম্পূর্ণ
সব শ্রেণী পেশা কিংবা শ্রেণীহীন হাত তুলে নিচ্ছে দেখো রক্তের কলম,
পান্ডুলিপির শরীর থেকে, কেটে দেবে তাদের সারিবদ্ধ লাইন;
পথভ্রষ্ট শব্দরা কবিতার স্বীকৃতি পাবেনা।সম্পূর্ণ
তারপর তার শাড়ির আঁচল দেখিয়ে প্রশ্ন করুক, “কবি, আমার শাড়ির ভাঁজগুলো আপনার কবিতায় তুলে ধরবেন…?”সম্পূর্ণ