অলৌকিক ঘোড়া
এসব শালীনতায় বিকশিত নগর কেবল মাত্র প্রণয়ের আস্তাবলের ঘোড়া যখনই বের হয়, জকি বলে— দৌড়াসম্পূর্ণ
এসব শালীনতায় বিকশিত নগর কেবল মাত্র প্রণয়ের আস্তাবলের ঘোড়া যখনই বের হয়, জকি বলে— দৌড়াসম্পূর্ণ
তোমার খোপা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চিবুক কেউ ছড়ায়ে দিচ্ছে অহেতুক গানের সূর মৃত্যুর মতসম্পূর্ণ
তুমি জানো? কেন কবরের পাশে শুয়ে থাকলে তোমার ঘুম আসবে না? কেন কোন পাখিকে তাড়ালেইসম্পূর্ণ
আমার কাছে অহংকার করার মত কিছু নেই অস্রসস্র এখনো পাইনি হাতে যেদিন একটি ভারী মেশিনগানসম্পূর্ণ
বিন্দু সিথী থেকে কপাল পর্যন্ত হেটে যাওয়ার আক্রোশে ঈশ্বরকে উৎসাহিত করেছিলো প্রেম বানাতে এরপর নক্ষত্রসম্পূর্ণ
জানালার বাহিরে নির্লিপ্ত মহকুমায় দমকায় দমকায় আগুন লেগেছে ডেমোক্রেসি ডেমোক্রেসি বলে চিল্লাচ্ছে সকলে ভারী বুটসম্পূর্ণ
আমার পেটে বিধ্বংসী ক্ষুধা
প্রিয়তমা রাষ্ট্র—
তোমাকে খাওয়া যায় না
কবিতাও না
তাই আমি—
দিন খাই সারা রাত জেগে।সম্পূর্ণ
সৈকতের যুবতি, খোলা চুলে প্রেয়সী
যার চুলে লেগে আছে স্বয়ং সমুদ্রের পানি
বালুকণা রোদে চমকায় দুপুরে
যার প্লেটের অর্ধেক ভাত খায় কুকুরেসম্পূর্ণ
সবেকার কবেকার
গোধুলীর মত একাকার
সব নীল পাখি ছেড়ে দাও
খুলে দাও হ্নদয়ের যত খাঁচা
তোমার চিবুকে হেলে পড়া
সোনালি চুলের মত
একা বৃষ্টি নেমেছে শহরে।সম্পূর্ণ
নিজেকে হত্যা করলে যদি যেতে হয় নরকে
তবে ঈশ্বর, আমার শক্তি দাও বেঁচে থাকতে
এই পৃথিবীর নরকে।
এখানে পুঁড়িয়ে আমাকে এমন শক্ত করে দাও
যেন আর কোন নরকের আগুন আমাকে
পোড়াতে না পারে।
ঈশ্বর, তোমাকে বোঝার শক্তি দাও।সম্পূর্ণ